চলতি বছরের জানুয়ারিতে সারা দেশ যখন শীতে কাঁপছিল তখন রংপুরে ছিল হালকা শীত। জানুয়ারিতে রংপুরে শীতের তীব্রতা ছিলো মাত্র চারদিন। এ
শীতের তীব্রতা
পৌষের শেষভাগে দেশের বিভিন্ন স্থানে তীব্র শীত অনুভূত হলেও মাঘের প্রথম অংশে তা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জাহান্নাম দুইবার নিঃশ্বাস নেয়। একটি গ্রীষ্মে, একটি শীতে। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরম ও শীতের তীব্র ঠান্ডা সেই নিঃশ্বাস থেকেই আসে। কিন্তু পৃথিবীর বাস্তবতায় দেখা যায়, একই সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় যখন গ্রীষ্ম, তখন আমাদের দেশে শীত।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গত দুই দিন ধরে ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো কুয়াশা ঝরছে। রবিবার সকাল থেকেই উপকূলের আকাশে সূর্যের দেখা মেলেনি।
সমুদ্র উপকূলীয় পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ঘন কুয়াশার সঙ্গে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। শুক্রবার সকাল থেকে পুরো এলাকা ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকায় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। বেলা ১১টা পর্যন্তও সূর্যের দেখা মেলেনি। ফলে দিনের বেলাতেও যানবাহন চলাচল করতে হচ্ছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। হিমেল বাতাসে কাবু হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা নওগাঁয় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। সন্ধ্যার পরের হিমেল বাতাস শীতকে বাড়িয়ে তুলছে কয়েকগুণ।
সারা দেশে বেড়ে চলছে শীতের দাপট। সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস
তীব্র শীতের সঙ্গে হিমেল হাওয়া বইছে সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী হিমালয় ঘেঁষা জেলা লালমনিরহাটে। এ জেলার তাপমাত্রা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে।
শীতের তীব্রতা বাড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন দেশের উত্তরের সীমান্ত ঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রামের হতদরিদ্র ও ছিন্নমুল মানুষজন। অনেকে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টাও করছে। কয়েকদিন থেকে সকালে ও রাতে ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকছে গোটা জনপদ।
পৌষের শেষে এসে নওগাঁয় শীত কিছুটা বেড়েছে। হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠাণ্ডা বাতাসে জনজীবন থমকে দাঁড়ানোর উপক্রম শুরু হয়েছে। দিনের বেলায় সূর্যের দেখা মিললেও রাতে ঠাণ্ডার প্রভাব বেশি থাকছে।